1. admin@sotorkobani.com : admin :
সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সাংবাদিকের ওপর প্রবাসীর হামলা ও ‘আয়নাঘরে’ রাখার হুমকি বন্দর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্যানিটারি সুরক্ষা উপকরণ বিতরণ। ‎ নারায়ণগঞ্জের ভূমি সেক্টরে ‘জিরো টলারেন্স’নীতিতে ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান চলছে: ডিসি মোঃ রায়হান কবির কুখ্যাত সন্ত্রাসী খাঁন মাসুদ আমার মায়ের হত্যাকারী হুমায়ুন কবির। চর কাশীপুরে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচীর শুভ উদ্বোধন আওয়ামী দোসর ও সমবায় মাফিয়া নবীরুলের জিম্মিতে অধিদপ্তর গোগনগর: তাজেক প্রধান স্কুলে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দক্ষতাই স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার মূল হাতিয়ার’: ডিসি মোঃ রায়হান কবির ডিসি রায়হান কবিরের হস্তক্ষেপে ফতুল্লার অত্যন্ত ব্যস্ততম বিপজ্জনক সড়কের ভোগান্তি দূর স্বামীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী গ্রেপ্তার

নারা’গঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালে দালাল সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি রোগীরা

  • Update Time : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬
  • ৫৪ Time View

প্রতিবেদক- মোহাম্মদ হোসেন হ্যাপী

রোগী দেখলেই দৌড়ে আসে দালাল।
নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ঘিরে সক্রিয় রয়েছে অন্তত ডজনখানেক দালাল চক্র। দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালটিতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা এসব দালালের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, দালালদের উৎপাতের কারণে সরকারি হাসপাতালের স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হাসপাতালের বহির্বিভাগসহ আশপাশ এলাকায় প্রতিদিন সক্রিয় থাকে সংঘবদ্ধ কয়েকটি দালাল চক্র। তারা বিভিন্ন কৌশলে রোগীদের ফুসলিয়ে আশপাশের বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যায়। এসব চক্রে নারী সদস্যও রয়েছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে থাকায় তাদের সহজে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হাসপাতালের চিকিৎসকের কক্ষ থেকে রোগী বের হওয়ার পরপরই দালাল চক্রের সদস্যরা দৌরে আসে, পরে প্রেসক্রিপশন হাতে নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার কথা বলে রোগীদের নির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যেতে চাপ দেয়। অনেক ক্ষেত্রে রোগীদের বলা হয় হাসপাতালে সঠিক চিকিৎসা বা পরীক্ষা দ্রুত পাওয়া যাবে না। এতে বিভ্রান্ত হয়ে অনেকে বাধ্য হয়ে বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ে চিকিৎসাসেবা নিতে হচ্ছে।

এছাড়া গুরুতর অসুস্থ রোগীদের টার্গেট করে আরেকটি দল হাসপাতালের বাইরে অবস্থান নেয়। রোগী হাসপাতালে প্রবেশের আগেই তারা স্বজনদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বলে, সরকারি হাসপাতালে
রোগী দেখলেই দৌড়ে আসে
চিকিৎসা পেতে দীর্ঘ সময় লাগবে। পরে দ্রুত চিকিৎসার প্রলোভন দেখিয়ে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায় তারা।
মোঃ শরীফ খান নামে এক রোগী ১০ টাকার টিকিট কেটে চিকিৎসা নিতে চাইলে হাসপাতালের এক দালাল ডাক্তার দেখানোর কথা বলে তাকে পাশের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে মোঃ শরীফ খান বুঝতে পারে সে দালাল চক্রের খপ্পরে পড়েছে। পরে সে দ্রুত হাসপাতালেই ফিরে আসে।
সূত্র জানায়, সংঘবদ্ধ এ দালাল সিন্ডিকেট দুটি ভাগে কাজ করে। একটি অংশ হাসপাতালের ভেতরে অবস্থান করে রোগীদের তথ্য সংগ্রহ ও প্রভাবিত করে। অপর অংশ হাসপাতালের বাইরে অবস্থান নিয়ে রোগীদের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পাঠানোর কাজ করে। প্রতিটি রোগী নিয়ে যাওয়ার বিপরীতে সংশ্লিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে কমিশন পান দালালরা। রোগীর খরচ যত বেশি হয়, কমিশনের পরিমাণও তত বাড়ে। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর এসব কমিশনের টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এর আগে বিভিন্ন সময়ে জেলা প্রশাসন ও র‍্যাব ১১ যৌথ অভিযান অভিযান চালিয়ে দালাল চক্রের কয়েক সদস্যকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা ও নগদ অর্থ জরিমান করলেও পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। অভিযানের কয়েক ঘণ্টা পরেই আবার সক্রিয় হয়ে ওঠে চক্রটি। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়ায় থাকায় দালালদের বিরুদ্ধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না।

নগরবাসীর দাবি, হাসপাতাল এলাকায় স্থায়ী নজরদারি, সিসিটিভি মনিটরিং বৃদ্ধি এবং দালালদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা না হলে এই সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব কঠিন হবে। একই সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগে রোগীদের নিরাপদ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026 সতর্ক বানী
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: CloudVai-ক্লাউড ভাই