
ব্যুরো চীফ মোহাম্মদ হোসেন হ্যাপী
নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ হাসিনুজ্জামান এর নির্দেশনায় ডিবি “খ-জোন” এর এসআই (নিঃ) এসএম আব্দুল আজিজ সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স সহ বন্দর থানাধীন কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ঘাড়মোড়া কাজিবাড়ি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্রসহ কুখ্যাত সন্ত্রাসী ১। মোঃ মতিউর রহমান জনি ওরফে ব্লাক জনি (৩৯), পিতা- মোঃ আমান উল্লাহ ওরফে আমু মিয়া, মাতা- হেনা বেগম, সাং- সুচিয়ারবন্দ, থানা- বন্দর, জেলা- নারয়ণগণ্জ এবং ২। মোঃ রিফাত হাসান (২৬), পিতা- মোঃ খোরশেদ আলম, মাতা- মোসাঃ রিনা বেগম, সাং- জিওধারা চৌরাস্তা, থানা- বন্দর, জেলা- নারায়ণগঞ্জদেরকে গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিঃ রাত আনুমানিক ১০:৫৫ ঘটিকার সময় গ্রেফতার করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে পরস্পর যোগসাজশে এসব দেশীয় অস্ত্র চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, ছিনতাই ও মাদকদ্রব্যের ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রাখে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের দেখানো ও তাদের নিজ হাতে বের করে দেওয়ার ভিত্তিতে ঘটনাস্থলের একটি হাঁসের খামারের দক্ষিণ পাশের মাটির নিচ থেকে একটি প্লাস্টিকের বস্তায় রক্ষিত অবস্থায় নিম্নোক্ত দেশীয় অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়— ১. ০৫টি লোহার তৈরি রামদা ২. ০২টি এসএস-এর বাটযুক্ত লোহার তৈরি রামদা ৩. ০২টি লোহার তৈরি বাটযুক্ত রামদা ৪. ০২টি লোহার তৈরি ছোরা ৫. ০২টি লোহার তৈরি দা ৬. ৩টি জিআই পাইপ; সর্বমোট ১৬টি দেশীয় অস্ত্র/সরঞ্জাম উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে The Arms Act, 1878-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় বন্দর থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত ১। মোঃ মতিউর রহমান জনি ওরফে ব্লাক জনির বিরুদ্ধে বন্দর ও সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে- ০১ টি, অস্ত্র আইনে- ০১ টি এবং পেনাল কোডের বিভিন্ন ধারার ৫টি মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে বলে জানা যায়।
Leave a Reply