১।বাংলাদেশ আমার অহংকার এই স্লোগান নিয়ে র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, জঙ্গি দমন, অবৈধ অস্ত্র, মাদক উদ্ধার, চাঞ্চল্যকর হত্যা এবং বিভিন্ন আলোচিত অপরাধীদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় অপরাধীদের দ্রুততম সময়ে গ্রেফতারের মাধ্যমে র্যাব ইতোমধ্যেই জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।
২। মাদকদ্রব্য নির্মূলে ও মাদকের ভয়াল থাবা থেকে যুব সম্প্রদায়কে রক্ষা করতে র্যাব-১১ বদ্ধপরিকর এবং এ লক্ষ্যে র্যাব-১১ নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক নির্মূলের লক্ষ্যে র্যাব-১১ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে এবং বিভিন্ন সময়ে র্যাব-১১ বিপুল পরিমান মাদক উদ্ধারসহ মাদক ব্যবসার সাথে জড়িতদেরকে গ্রেফতার পূর্বক আইনের আওতায় নিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১, সিপিএসসি, নারায়ণগঞ্জ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল অদ্য ০৪ মার্চ ২০২৬ তারিখ রাত ০৩.০০ ঘটিকার সময় নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানাধীন মদনপুর ইউনিয়নের হেদায়েরপাড়া এলাকায় গ্রেফতারকৃত আসামির বসতঘরে অভিযান পরিচালনা করে ২৯০০ পিস ইয়াবা, ৬.৫ কেজি গাঁজা ও মাদক বিক্রির ৪,৩১,৬৮০ (চার লক্ষ একত্রিশ হাজার ছয়শত আশি) টাকা সহ একজন পেশাদার মহিলা মাদক ব্যবসায়ী মাফিয়া বেগম (৫৫), স্বামী- ইসলাম মিয়া , সাং - হেদায়েরপাড়া, থানা- বন্দর, জেলা নারায়ণগঞ্জকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
৩। প্রাথমিক অনুসন্ধান ও গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, সে একটি সংঘবদ্ধ মাদক চোরাচালান চক্রের সক্রিয় সদস্য। গ্রেফতারকৃত আসামী দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্যের বড় আকারের চালান দীর্ঘদিন যাবৎ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য অভিনব কৌশলে সংগ্রহ করে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার এর আশেপাশের জেলায় বহন, সরবরাহ এবং বিক্রয় করে আসছে।
৪। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।